তাসনিম খলিল ও সামিসহ ৪ জনের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ - দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সুইডেনপ্রবাসী সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও হাঙ্গেরিপ্রবাসী সামিউল ইসলাম খান ওরফে স্যাম ওরফে জুলকারনাইনসহ চারজনের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

অন্য দুই আসামি হলেন- আশিক ইমরান ও ওয়াহিদুন নবী।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে সম্পত্তিগুলো জব্দ করার আদেশ দেন।

আদালত আদেশে ঢাকার সেনানিবাস, সিলেটের বিশ্বনাথ, চাঁদপুর ও নোয়াখালীর চাটখিল; এই চার থানার ওসিকে আদেশ বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ১৩ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপপরিদর্শক আফছার আহমেদ এ চার্জশিট দাখিল করেন। পরে ১২ সেপ্টেম্বর বিচারক আস শামছ জগলুল হোসেনের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন।

মামলায় সাত আসামির মধ্যে তিনজন জামিনে আছেন। তারা হলেন- আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান। বাকি চার আসামিকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতির পিতা, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহামারি করোনাভাইরাস সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়।

গত বছরের মে মাসে রমনা থানায় ওই ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে র্যাব। পরে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা

মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সুইডেনপ্রবাসী সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও হাঙ্গেরিপ্রবাসী সামিউল ইসলাম খান ওরফে স্যাম ওরফে জুলকারনাইনসহ চারজনের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।

অন্য দুই আসামি হলেন- আশিক ইমরান ও ওয়াহিদুন নবী।

ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে সম্পত্তিগুলো জব্দ করার আদেশ দেন।

আদালত আদেশে ঢাকার সেনানিবাস, সিলেটের বিশ্বনাথ, চাঁদপুর ও নোয়াখালীর চাটখিল; এই চার থানার ওসিকে আদেশ বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ১৩ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপপরিদর্শক আফছার আহমেদ এ চার্জশিট দাখিল করেন। পরে ১২ সেপ্টেম্বর বিচারক আস শামছ জগলুল হোসেনের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন।

মামলায় সাত আসামির মধ্যে তিনজন জামিনে আছেন। তারা হলেন- আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান। বাকি চার আসামিকে পলাতক দেখানো হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতির পিতা, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহামারি করোনাভাইরাস সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়।

গত বছরের মে মাসে রমনা থানায় ওই ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে র্যাব। পরে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা

মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

তাসনিম খলিল ও সামিসহ ৪ জনের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ অক্টোবর, ২০২১ | ১২:১৯ 61 ভিউ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সুইডেনপ্রবাসী সাংবাদিক তাসনিম খলিল ও হাঙ্গেরিপ্রবাসী সামিউল ইসলাম খান ওরফে স্যাম ওরফে জুলকারনাইনসহ চারজনের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। অন্য দুই আসামি হলেন- আশিক ইমরান ও ওয়াহিদুন নবী। ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে সম্পত্তিগুলো জব্দ করার আদেশ দেন। আদালত আদেশে ঢাকার সেনানিবাস, সিলেটের বিশ্বনাথ, চাঁদপুর ও নোয়াখালীর চাটখিল; এই চার থানার ওসিকে আদেশ বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন। এর আগে গত ১৩ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের উপপরিদর্শক আফছার আহমেদ এ চার্জশিট দাখিল করেন। পরে ১২ সেপ্টেম্বর বিচারক আস শামছ জগলুল হোসেনের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন। মামলায় সাত আসামির মধ্যে তিনজন জামিনে আছেন। তারা হলেন- আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান। বাকি চার আসামিকে পলাতক দেখানো হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতির পিতা, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মহামারি করোনাভাইরাস সম্পর্কে গুজব, রাষ্ট্র ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ আনা হয়। গত বছরের মে মাসে রমনা থানায় ওই ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে র্যাব। পরে সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় ঢাকা

মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: