টিসিবি পণ্যের দাম বৃদ্ধি ভোক্তার ভরসার জায়গা সংকুচিত - দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তা সাধারণের। ফলে বাজারের তালিকার সঙ্গে দ্রুত বাড়ছে আয়ের পার্থক্য। এই পরিস্থিতিতে ভরসা ছিল ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) স্বল্প মূল্যের পণ্য। গতকাল বুধবার থেকে বেড়েছে টিসিবির পণ্যের দামও। এ নিয়ে চলতি বছর তৃতীয় দফায় বাড়ল টিসিবির তেল, চিনি ও ডালের দাম। নির্ধারিত নতুন মূল্যে গতকাল থেকে টিসিবির ট্রাকে সয়াবিন তেল ১০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১১০ টাকা, মসুর ডাল কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ৬০ টাকা আর প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকায়। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার। আবার টিসিবির স্বল্প মূল্যের পণ্যের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এতে ভোক্তার ভরসার জায়গাটা আরো ছোট হয়ে গেল। তবে টিসিবি বলছে, ক্রেতার কালোবাজারি ঠেকাতে বাজারের সঙ্গে পণ্যমূল্য কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে।

kalerkanthoচলতি বছর তিন দফায় ১০ টাকা করে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বেড়েছে ৩০ টাকা। মসুর ডাল দুই দফায় কেজিতে ১০ টাকা আর চিনি কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়িয়েছে টিসিবি।

প্রথম দফায় চলতি বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি সয়াবিন তেলের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ টাকা লিটার, মসুর ডাল ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা কেজি, এরপর ২১ মার্চ আবার সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে ১০০ টাকা, চিনির কেজি ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়। আর গতকাল আরেক দফা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের লিটার

১১০ টাকা এবং মসুর ডালের কেজি ৬০ টাকা করা হয়।

টিসিবির মুখপাত্র ও ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান হুমায়ুন কবির বলেন, ‘টিসিবির পণ্যমূল্যের তুলনায় বাজারে এসব পণ্যের দাম অনেক বেশি। অনেক সময় শোনা যায়, কিছু লোক টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। এই অনিয়ম ঠেকাতে দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।’

টিসিবির হিসাবে গতকাল বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর টিসিবির সয়াবিন তেলের লিটার ১১০ টাকা। পার্থক্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। টিসিবির চিনির সঙ্গে পার্থক্য ২৩ থেকে ২৫ টাকা। বাজারে মসুর ডাল ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজি, টিসিবির মসুর

ডাল ৬০ টাকা। পার্থক্য ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, দু-একজন মানুষের জন্য অনিয়ম ঠেকাতে পুরো দেশের মানুষকে ভুক্তভোগী করা ঠিক হয়নি টিসিবির। পণ্যের দাম কমিয়ে আগের জায়গায় নিয়ে আসার দাবিও জানান তাঁরা।

গতকাল রাজধানীতে ৫৬টিসহ দেশব্যপী মোট ৪২০টি ট্রাকে পণ্য বিতরণ করেছে টিসিবি।

গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব, ফকিরাপুল বাজার, মতিঝিল শিল্প মন্ত্রণালয় চত্বরসহ বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখা গেছে, দাম বাড়ানোর পরও প্রতিটি ট্রাকের সামনে তিন শ থেকে পাঁচ শ মানুষের দীর্ঘ লাইন।

ক্রেতারা জানান, হঠাৎ দাম বাড়ানোয় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। আগের দাম হিসাব করে পণ্য কিনতে এসে দেখেন দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কম পণ্য কিনতে হয়েছে তাঁদের। এ ছাড়া টিসিবির

ট্রাকে যে পণ্য বিক্রি করা হয় তা লাইনে দাঁড়ানো অর্ধেক মানুষ পান। অন্যদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়।

প্রেস ক্লাবের সামনে টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে এসেছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘দুই লিটার তেল, চার কেজি চিনি ও ডালের জন্য হিসাব করে টাকা নিয়ে এসেছিলাম। লাইনে দাঁড়িয়ে শুনি দাম বেড়েছে। বাধ্য হয়ে আরেকজনের কাছ থেকে টাকা আনতে গিয়ে লাইনের পেছনে পড়ে গেছি। এখন আর পণ্য পাব কি না বুঝতে পারছি না।’

মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন গৃহকর্মী আমেনা খাতুন। তিনি বলেন, ‘বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় বিক্রেতারা, এখন আবার সরকারও দাম বাড়িয়েছে। আমরা যামু কই!’



বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তা সাধারণের। ফলে বাজারের তালিকার সঙ্গে দ্রুত বাড়ছে আয়ের পার্থক্য। এই পরিস্থিতিতে ভরসা ছিল ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) স্বল্প মূল্যের পণ্য। গতকাল বুধবার থেকে বেড়েছে টিসিবির পণ্যের দামও। এ নিয়ে চলতি বছর তৃতীয় দফায় বাড়ল টিসিবির তেল, চিনি ও ডালের দাম। নির্ধারিত নতুন মূল্যে গতকাল থেকে টিসিবির ট্রাকে সয়াবিন তেল ১০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১১০ টাকা, মসুর ডাল কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ৬০ টাকা আর প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকায়। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার। আবার টিসিবির স্বল্প মূল্যের পণ্যের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এতে ভোক্তার ভরসার জায়গাটা আরো ছোট হয়ে গেল। তবে টিসিবি বলছে, ক্রেতার কালোবাজারি ঠেকাতে বাজারের সঙ্গে পণ্যমূল্য কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে।

kalerkanthoচলতি বছর তিন দফায় ১০ টাকা করে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বেড়েছে ৩০ টাকা। মসুর ডাল দুই দফায় কেজিতে ১০ টাকা আর চিনি কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়িয়েছে টিসিবি।

প্রথম দফায় চলতি বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি সয়াবিন তেলের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ টাকা লিটার, মসুর ডাল ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা কেজি, এরপর ২১ মার্চ আবার সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে ১০০ টাকা, চিনির কেজি ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়। আর গতকাল আরেক দফা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের লিটার

১১০ টাকা এবং মসুর ডালের কেজি ৬০ টাকা করা হয়।

টিসিবির মুখপাত্র ও ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান হুমায়ুন কবির বলেন, ‘টিসিবির পণ্যমূল্যের তুলনায় বাজারে এসব পণ্যের দাম অনেক বেশি। অনেক সময় শোনা যায়, কিছু লোক টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। এই অনিয়ম ঠেকাতে দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।’

টিসিবির হিসাবে গতকাল বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর টিসিবির সয়াবিন তেলের লিটার ১১০ টাকা। পার্থক্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। টিসিবির চিনির সঙ্গে পার্থক্য ২৩ থেকে ২৫ টাকা। বাজারে মসুর ডাল ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজি, টিসিবির মসুর

ডাল ৬০ টাকা। পার্থক্য ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, দু-একজন মানুষের জন্য অনিয়ম ঠেকাতে পুরো দেশের মানুষকে ভুক্তভোগী করা ঠিক হয়নি টিসিবির। পণ্যের দাম কমিয়ে আগের জায়গায় নিয়ে আসার দাবিও জানান তাঁরা।

গতকাল রাজধানীতে ৫৬টিসহ দেশব্যপী মোট ৪২০টি ট্রাকে পণ্য বিতরণ করেছে টিসিবি।

গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব, ফকিরাপুল বাজার, মতিঝিল শিল্প মন্ত্রণালয় চত্বরসহ বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখা গেছে, দাম বাড়ানোর পরও প্রতিটি ট্রাকের সামনে তিন শ থেকে পাঁচ শ মানুষের দীর্ঘ লাইন।

ক্রেতারা জানান, হঠাৎ দাম বাড়ানোয় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। আগের দাম হিসাব করে পণ্য কিনতে এসে দেখেন দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কম পণ্য কিনতে হয়েছে তাঁদের। এ ছাড়া টিসিবির

ট্রাকে যে পণ্য বিক্রি করা হয় তা লাইনে দাঁড়ানো অর্ধেক মানুষ পান। অন্যদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়।

প্রেস ক্লাবের সামনে টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে এসেছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘দুই লিটার তেল, চার কেজি চিনি ও ডালের জন্য হিসাব করে টাকা নিয়ে এসেছিলাম। লাইনে দাঁড়িয়ে শুনি দাম বেড়েছে। বাধ্য হয়ে আরেকজনের কাছ থেকে টাকা আনতে গিয়ে লাইনের পেছনে পড়ে গেছি। এখন আর পণ্য পাব কি না বুঝতে পারছি না।’

মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন গৃহকর্মী আমেনা খাতুন। তিনি বলেন, ‘বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় বিক্রেতারা, এখন আবার সরকারও দাম বাড়িয়েছে। আমরা যামু কই!’



টিসিবি পণ্যের দাম বৃদ্ধি ভোক্তার ভরসার জায়গা সংকুচিত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:২৮ 42 ভিউ

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ক্রমাগত বাড়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তা সাধারণের। ফলে বাজারের তালিকার সঙ্গে দ্রুত বাড়ছে আয়ের পার্থক্য। এই পরিস্থিতিতে ভরসা ছিল ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) স্বল্প মূল্যের পণ্য। গতকাল বুধবার থেকে বেড়েছে টিসিবির পণ্যের দামও। এ নিয়ে চলতি বছর তৃতীয় দফায় বাড়ল টিসিবির তেল, চিনি ও ডালের দাম। নির্ধারিত নতুন মূল্যে গতকাল থেকে টিসিবির ট্রাকে সয়াবিন তেল ১০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১১০ টাকা, মসুর ডাল কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ৬০ টাকা আর প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকায়। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার। আবার টিসিবির স্বল্প মূল্যের পণ্যের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এতে ভোক্তার ভরসার জায়গাটা আরো ছোট হয়ে গেল। তবে টিসিবি বলছে, ক্রেতার কালোবাজারি ঠেকাতে বাজারের সঙ্গে পণ্যমূল্য কিছুটা সমন্বয় করা হয়েছে। kalerkanthoচলতি বছর তিন দফায় ১০ টাকা করে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বেড়েছে ৩০ টাকা। মসুর ডাল দুই দফায় কেজিতে ১০ টাকা আর চিনি কেজিতে পাঁচ টাকা বাড়িয়েছে টিসিবি। প্রথম দফায় চলতি বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি সয়াবিন তেলের দাম ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯০ টাকা লিটার, মসুর ডাল ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা কেজি, এরপর ২১ মার্চ আবার সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে ১০০ টাকা, চিনির কেজি ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়। আর গতকাল আরেক দফা বাড়িয়ে সয়াবিন তেলের লিটার

১১০ টাকা এবং মসুর ডালের কেজি ৬০ টাকা করা হয়। টিসিবির মুখপাত্র ও ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান হুমায়ুন কবির বলেন, ‘টিসিবির পণ্যমূল্যের তুলনায় বাজারে এসব পণ্যের দাম অনেক বেশি। অনেক সময় শোনা যায়, কিছু লোক টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনে বাজারে বিক্রি করে দিচ্ছে। এই অনিয়ম ঠেকাতে দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।’ টিসিবির হিসাবে গতকাল বাজারে সয়াবিন তেলের লিটার ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। আর টিসিবির সয়াবিন তেলের লিটার ১১০ টাকা। পার্থক্য ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। টিসিবির চিনির সঙ্গে পার্থক্য ২৩ থেকে ২৫ টাকা। বাজারে মসুর ডাল ৯৫ থেকে ১০০ টাকা কেজি, টিসিবির মসুর

ডাল ৬০ টাকা। পার্থক্য ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। ক্রেতারা বলছেন, দু-একজন মানুষের জন্য অনিয়ম ঠেকাতে পুরো দেশের মানুষকে ভুক্তভোগী করা ঠিক হয়নি টিসিবির। পণ্যের দাম কমিয়ে আগের জায়গায় নিয়ে আসার দাবিও জানান তাঁরা। গতকাল রাজধানীতে ৫৬টিসহ দেশব্যপী মোট ৪২০টি ট্রাকে পণ্য বিতরণ করেছে টিসিবি। গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব, ফকিরাপুল বাজার, মতিঝিল শিল্প মন্ত্রণালয় চত্বরসহ বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখা গেছে, দাম বাড়ানোর পরও প্রতিটি ট্রাকের সামনে তিন শ থেকে পাঁচ শ মানুষের দীর্ঘ লাইন। ক্রেতারা জানান, হঠাৎ দাম বাড়ানোয় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। আগের দাম হিসাব করে পণ্য কিনতে এসে দেখেন দাম বাড়ানো হয়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে কম পণ্য কিনতে হয়েছে তাঁদের। এ ছাড়া টিসিবির

ট্রাকে যে পণ্য বিক্রি করা হয় তা লাইনে দাঁড়ানো অর্ধেক মানুষ পান। অন্যদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়। প্রেস ক্লাবের সামনে টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে এসেছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘দুই লিটার তেল, চার কেজি চিনি ও ডালের জন্য হিসাব করে টাকা নিয়ে এসেছিলাম। লাইনে দাঁড়িয়ে শুনি দাম বেড়েছে। বাধ্য হয়ে আরেকজনের কাছ থেকে টাকা আনতে গিয়ে লাইনের পেছনে পড়ে গেছি। এখন আর পণ্য পাব কি না বুঝতে পারছি না।’ মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন গৃহকর্মী আমেনা খাতুন। তিনি বলেন, ‘বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় বিক্রেতারা, এখন আবার সরকারও দাম বাড়িয়েছে। আমরা যামু কই!’

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: