রেলে স্বয়ংক্রিয় ওয়াশিং প্ল্যান্ট যাত্রীসেবার মানও বাড়াতে হবে - দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ

কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে রেলের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ কমছে। বস্তুত যাত্রীসেবার মান কোন পর্যায়ে রয়েছে, ট্রেনের টয়লেটগুলোর দিকে তাকালেই তা স্পষ্ট হয়। আরামদায়ক ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় দেশে প্রচলিত যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ছিল রেল খাত।

কিন্তু যাত্রাকালে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে যাত্রীরা অতিষ্ঠ। সার্বিক অব্যবস্থাপনার কারণে রেল থেকে যাত্রীদের দৃষ্টি অন্যত্র সরে যাচ্ছে। অথচ ন্যূনতম যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করা গেলে লোকসান কমিয়ে রেলকে লাভজনক করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে ট্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়ে থাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। এ পদ্ধতিতে ট্রেনগুলো যথাযথভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। বুধবার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাত্র পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে তিনটি ট্রেন (কমপক্ষে ৪২টি

বগি)।

এ লক্ষ্যে কমলাপুর ও রাজশাহীতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি স্বয়ংক্রিয় রেল কোচ ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এতে পানি ও সময় সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি তিনটি ট্রেন পরিষ্কারে সময় বাঁচবে ৭ ঘণ্টারও বেশি। ৮ নভেম্বর থেকে এ প্ল্যান্টের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে (লিকুইড ডিটারজেন্ট) প্রতিদিন ট্রেন পরিষ্কার করার নির্দেশনা আছে। কিন্তু এর বাস্তবায়ন নেই বললেই চলে। মাসে এক-দুইবার কোনো কোনো ট্রেন পরিষ্কার করা হয়। এতে ট্রেনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশে মরিচা ধরাসহ যত্রতত্র পড়ে থাকে ময়লা-আবর্জনা। এর দুর্গন্ধে যাত্রীরা রীতিমতো অতিষ্ঠ। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই অত্যাধুনিক ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় রেল কর্তৃপক্ষ।

বর্তমান সরকার একের পর এক অত্যাধুনিক ইঞ্জিন-কোচ

ক্রয় করছে। নতুন নতুন ট্রেন পরিচালনা করছে। দেশের সব জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কে আসছে, ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবস্থায় ট্রেনগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক স্বয়ংক্রিয় রেল কোচ ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা দরকার।

ট্রেনের ভেতর-বাইরে সবসময় পরিষ্কার থাকলে যাত্রীরা স্বচ্ছন্দবোধ করবে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া এলে রেলের প্রতি যাত্রীদের আকর্ষণ বাড়বে। জানা যয়, বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানোর উপযোগী নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক ও দ্রুতগতির ট্রেন চালুর কথাও শোনা যাচ্ছে। এসব ট্রেন পরিষ্কার রাখতে স্বয়ংক্রিয় ওয়াশিং প্ল্যান্টের বিকল্প নেই।

একইসঙ্গে স্টেশনগুলোরও আধুনিকায়ন জরুরি। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি যাত্রীসেবার মান বাড়াতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হলে যে রেলের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে রেলের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ কমছে। বস্তুত যাত্রীসেবার মান কোন পর্যায়ে রয়েছে, ট্রেনের টয়লেটগুলোর দিকে তাকালেই তা স্পষ্ট হয়। আরামদায়ক ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় দেশে প্রচলিত যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ছিল রেল খাত।

কিন্তু যাত্রাকালে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে যাত্রীরা অতিষ্ঠ। সার্বিক অব্যবস্থাপনার কারণে রেল থেকে যাত্রীদের দৃষ্টি অন্যত্র সরে যাচ্ছে। অথচ ন্যূনতম যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করা গেলে লোকসান কমিয়ে রেলকে লাভজনক করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে ট্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়ে থাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। এ পদ্ধতিতে ট্রেনগুলো যথাযথভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। বুধবার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাত্র পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে তিনটি ট্রেন (কমপক্ষে ৪২টি

বগি)।

এ লক্ষ্যে কমলাপুর ও রাজশাহীতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি স্বয়ংক্রিয় রেল কোচ ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এতে পানি ও সময় সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি তিনটি ট্রেন পরিষ্কারে সময় বাঁচবে ৭ ঘণ্টারও বেশি। ৮ নভেম্বর থেকে এ প্ল্যান্টের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে (লিকুইড ডিটারজেন্ট) প্রতিদিন ট্রেন পরিষ্কার করার নির্দেশনা আছে। কিন্তু এর বাস্তবায়ন নেই বললেই চলে। মাসে এক-দুইবার কোনো কোনো ট্রেন পরিষ্কার করা হয়। এতে ট্রেনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশে মরিচা ধরাসহ যত্রতত্র পড়ে থাকে ময়লা-আবর্জনা। এর দুর্গন্ধে যাত্রীরা রীতিমতো অতিষ্ঠ। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই অত্যাধুনিক ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় রেল কর্তৃপক্ষ।

বর্তমান সরকার একের পর এক অত্যাধুনিক ইঞ্জিন-কোচ

ক্রয় করছে। নতুন নতুন ট্রেন পরিচালনা করছে। দেশের সব জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কে আসছে, ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবস্থায় ট্রেনগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক স্বয়ংক্রিয় রেল কোচ ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা দরকার।

ট্রেনের ভেতর-বাইরে সবসময় পরিষ্কার থাকলে যাত্রীরা স্বচ্ছন্দবোধ করবে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া এলে রেলের প্রতি যাত্রীদের আকর্ষণ বাড়বে। জানা যয়, বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানোর উপযোগী নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক ও দ্রুতগতির ট্রেন চালুর কথাও শোনা যাচ্ছে। এসব ট্রেন পরিষ্কার রাখতে স্বয়ংক্রিয় ওয়াশিং প্ল্যান্টের বিকল্প নেই।

একইসঙ্গে স্টেশনগুলোরও আধুনিকায়ন জরুরি। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি যাত্রীসেবার মান বাড়াতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হলে যে রেলের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

কোনো সন্দেহ নেই।
আপডেটঃ ৪ নভেম্বর, ২০২১
১:৪০ অপরাহ্ণ
31 ভিউ

আরও খবর

রেলে স্বয়ংক্রিয় ওয়াশিং প্ল্যান্ট যাত্রীসেবার মানও বাড়াতে হবে

কোনো সন্দেহ নেই।
আপডেটঃ ৪ নভেম্বর, ২০২১ | ১:৪০ 31 ভিউ

কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে রেলের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ কমছে। বস্তুত যাত্রীসেবার মান কোন পর্যায়ে রয়েছে, ট্রেনের টয়লেটগুলোর দিকে তাকালেই তা স্পষ্ট হয়। আরামদায়ক ও পরিবেশবান্ধব হওয়ায় দেশে প্রচলিত যোগাযোগ ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ছিল রেল খাত। কিন্তু যাত্রাকালে ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে যাত্রীরা অতিষ্ঠ। সার্বিক অব্যবস্থাপনার কারণে রেল থেকে যাত্রীদের দৃষ্টি অন্যত্র সরে যাচ্ছে। অথচ ন্যূনতম যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করা গেলে লোকসান কমিয়ে রেলকে লাভজনক করা সম্ভব হবে। বর্তমানে ট্রেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়ে থাকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। এ পদ্ধতিতে ট্রেনগুলো যথাযথভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। বুধবার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাত্র পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে তিনটি ট্রেন (কমপক্ষে ৪২টি

বগি)। এ লক্ষ্যে কমলাপুর ও রাজশাহীতে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি স্বয়ংক্রিয় রেল কোচ ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। এতে পানি ও সময় সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি তিনটি ট্রেন পরিষ্কারে সময় বাঁচবে ৭ ঘণ্টারও বেশি। ৮ নভেম্বর থেকে এ প্ল্যান্টের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, বর্তমানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে (লিকুইড ডিটারজেন্ট) প্রতিদিন ট্রেন পরিষ্কার করার নির্দেশনা আছে। কিন্তু এর বাস্তবায়ন নেই বললেই চলে। মাসে এক-দুইবার কোনো কোনো ট্রেন পরিষ্কার করা হয়। এতে ট্রেনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশে মরিচা ধরাসহ যত্রতত্র পড়ে থাকে ময়লা-আবর্জনা। এর দুর্গন্ধে যাত্রীরা রীতিমতো অতিষ্ঠ। এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই অত্যাধুনিক ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় রেল কর্তৃপক্ষ। বর্তমান সরকার একের পর এক অত্যাধুনিক ইঞ্জিন-কোচ

ক্রয় করছে। নতুন নতুন ট্রেন পরিচালনা করছে। দেশের সব জেলা রেলওয়ে নেটওয়ার্কে আসছে, ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবস্থায় ট্রেনগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক স্বয়ংক্রিয় রেল কোচ ওয়াশিং প্ল্যান্ট স্থাপন করা দরকার। ট্রেনের ভেতর-বাইরে সবসময় পরিষ্কার থাকলে যাত্রীরা স্বচ্ছন্দবোধ করবে। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া এলে রেলের প্রতি যাত্রীদের আকর্ষণ বাড়বে। জানা যয়, বৈদ্যুতিক ট্রেন চালানোর উপযোগী নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক ও দ্রুতগতির ট্রেন চালুর কথাও শোনা যাচ্ছে। এসব ট্রেন পরিষ্কার রাখতে স্বয়ংক্রিয় ওয়াশিং প্ল্যান্টের বিকল্প নেই। একইসঙ্গে স্টেশনগুলোরও আধুনিকায়ন জরুরি। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি যাত্রীসেবার মান বাড়াতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হলে যে রেলের প্রতি যাত্রীদের আগ্রহ বাড়বে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: