স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে কক্ষপথেই নিউজিল্যান্ড - দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ

ক্লান্তি এমনভাবে ঝাঁকিয়ে বসেছিল যেন তাঁর চলনশক্তি হারিয়ে গিয়েছিল। তাই অনেক কাছে গিয়েও তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারটা ছুঁতে পারেননি মার্টিন গাপটিল। ১৯তম ওভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে করা এই ওপেনারের ৯৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংসের ওপরই দাঁড়িয়েছিল নিউজিল্যান্ডের সৌভাগ্য! আসলে সৌভাগ্যই। প্রথম ইনিংস শেষে নিউজিল্যান্ডের ৫ উইকেটে ১৭২ রানকে অনেক বড় মনে হলেও স্কটল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা সেটাকে ভুল প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। বোল্ট-সোদিদের বলেকয়ে চার-ছক্কা মারছিলেন। এর পরও অবশ্য পারেননি, ৫ উইকেটে ১৫৬ রান করে স্কটল্যান্ড হেরেছে মাত্র ১৬ রানে।

ম্যাচ শেষে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও খুব কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন, ‘এটা খুব কঠিন ম্যাচ ছিল। আমাদের তাড়াতাড়ি উইকেটের

সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়েছিল। স্কটল্যান্ড যেভাবে বল মাঠের বাইরে পাঠাচ্ছিল, এই ম্যাচে আমাদের ভালো পরীক্ষা হয়েছে। ম্যাচটি থেকে আমাদের শেখার আছে।’ মার্টিন গাপটিলের দুর্দান্ত ইনিংসটার কারণেই স্কটিশরা শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি। এরপর কিউই অধিনায়ক তাঁর এই ওপেনারের স্তুতি করেছেন, ‘গাপটিল অনেক শক্তিশালী খেলোয়াড়, তার আজ ব্যাটে-বলে হচ্ছিল খুব দারুণ। এ রকম একটি ইনিংস আমাদের দরকার ছিল। গ্লেন ফিলিপসও তাকে ভালো সঙ্গ দিয়েছে। এই জুটিটাই একটা ভালো স্কোরের ওপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল আমাদের।’

শুরুতে ব্যাটিং করে নিউজিল্যান্ড ৫২ রানে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট, তার মধ্যে কেন উইলিয়ামসও ফিরে গেছেন রানের খাতা না খুলে। তখন মার্টিন গাপটিলই বড় ভরসা। ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে

চতুর্থ উইকেট জুটিতে এই ওপেনার খেলে যাচ্ছেন তাঁর মতো চার-ছক্কা মেরে। তাতে তরতর করে ঘুরেছে রানের চাকা এবং একটুর জন্যও শ্লথ হয়নি তাঁর ব্যাটিং। ১৮.২ ওভারে দলকে ১৫৭ রানে নিয়ে গিয়ে আউট হন ফিলিপস (৩৩)। উইলের ঠিক পরের বলেই থামে গাপটিলের তাণ্ডব, সাতটি ছক্কা ও ছয়টি চারে তিনি ৫৬ বলে করেছেন ৯৩ রান।

১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্কটল্যান্ড শুরু থেকেই ছিল মারমুখী। কোনো কিউই বোলারকে তারা থিতু হতে দেয়নি। সব সময় রানরেট রেখেছে সাতের ওপরে। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাইকেল লেস্কের ব্যাট হয়ে ওঠে তরবারি। ক্রিস গ্রিভসকে সঙ্গে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়লেও মোট সংগ্রহ ১৫৬ রানের বেশি হয়নি। তিনটি

করে চার-ছক্কায় ২০ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত লেস্ক। ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করা ইশ সোদির ওপর এদিন চড়াও হয়েছিল স্কটল্যান্ড, ৪২ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট।

ক্লান্তি এমনভাবে ঝাঁকিয়ে বসেছিল যেন তাঁর চলনশক্তি হারিয়ে গিয়েছিল। তাই অনেক কাছে গিয়েও তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারটা ছুঁতে পারেননি মার্টিন গাপটিল। ১৯তম ওভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে করা এই ওপেনারের ৯৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংসের ওপরই দাঁড়িয়েছিল নিউজিল্যান্ডের সৌভাগ্য! আসলে সৌভাগ্যই। প্রথম ইনিংস শেষে নিউজিল্যান্ডের ৫ উইকেটে ১৭২ রানকে অনেক বড় মনে হলেও স্কটল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা সেটাকে ভুল প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। বোল্ট-সোদিদের বলেকয়ে চার-ছক্কা মারছিলেন। এর পরও অবশ্য পারেননি, ৫ উইকেটে ১৫৬ রান করে স্কটল্যান্ড হেরেছে মাত্র ১৬ রানে।

ম্যাচ শেষে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও খুব কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন, ‘এটা খুব কঠিন ম্যাচ ছিল। আমাদের তাড়াতাড়ি উইকেটের

সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়েছিল। স্কটল্যান্ড যেভাবে বল মাঠের বাইরে পাঠাচ্ছিল, এই ম্যাচে আমাদের ভালো পরীক্ষা হয়েছে। ম্যাচটি থেকে আমাদের শেখার আছে।’ মার্টিন গাপটিলের দুর্দান্ত ইনিংসটার কারণেই স্কটিশরা শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি। এরপর কিউই অধিনায়ক তাঁর এই ওপেনারের স্তুতি করেছেন, ‘গাপটিল অনেক শক্তিশালী খেলোয়াড়, তার আজ ব্যাটে-বলে হচ্ছিল খুব দারুণ। এ রকম একটি ইনিংস আমাদের দরকার ছিল। গ্লেন ফিলিপসও তাকে ভালো সঙ্গ দিয়েছে। এই জুটিটাই একটা ভালো স্কোরের ওপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল আমাদের।’

শুরুতে ব্যাটিং করে নিউজিল্যান্ড ৫২ রানে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট, তার মধ্যে কেন উইলিয়ামসও ফিরে গেছেন রানের খাতা না খুলে। তখন মার্টিন গাপটিলই বড় ভরসা। ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে

চতুর্থ উইকেট জুটিতে এই ওপেনার খেলে যাচ্ছেন তাঁর মতো চার-ছক্কা মেরে। তাতে তরতর করে ঘুরেছে রানের চাকা এবং একটুর জন্যও শ্লথ হয়নি তাঁর ব্যাটিং। ১৮.২ ওভারে দলকে ১৫৭ রানে নিয়ে গিয়ে আউট হন ফিলিপস (৩৩)। উইলের ঠিক পরের বলেই থামে গাপটিলের তাণ্ডব, সাতটি ছক্কা ও ছয়টি চারে তিনি ৫৬ বলে করেছেন ৯৩ রান।

১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্কটল্যান্ড শুরু থেকেই ছিল মারমুখী। কোনো কিউই বোলারকে তারা থিতু হতে দেয়নি। সব সময় রানরেট রেখেছে সাতের ওপরে। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাইকেল লেস্কের ব্যাট হয়ে ওঠে তরবারি। ক্রিস গ্রিভসকে সঙ্গে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়লেও মোট সংগ্রহ ১৫৬ রানের বেশি হয়নি। তিনটি

করে চার-ছক্কায় ২০ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত লেস্ক। ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করা ইশ সোদির ওপর এদিন চড়াও হয়েছিল স্কটল্যান্ড, ৪২ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট।

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে কক্ষপথেই নিউজিল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ নভেম্বর, ২০২১ | ৯:৩৫ 16 ভিউ

ক্লান্তি এমনভাবে ঝাঁকিয়ে বসেছিল যেন তাঁর চলনশক্তি হারিয়ে গিয়েছিল। তাই অনেক কাছে গিয়েও তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারটা ছুঁতে পারেননি মার্টিন গাপটিল। ১৯তম ওভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে করা এই ওপেনারের ৯৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংসের ওপরই দাঁড়িয়েছিল নিউজিল্যান্ডের সৌভাগ্য! আসলে সৌভাগ্যই। প্রথম ইনিংস শেষে নিউজিল্যান্ডের ৫ উইকেটে ১৭২ রানকে অনেক বড় মনে হলেও স্কটল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা সেটাকে ভুল প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। বোল্ট-সোদিদের বলেকয়ে চার-ছক্কা মারছিলেন। এর পরও অবশ্য পারেননি, ৫ উইকেটে ১৫৬ রান করে স্কটল্যান্ড হেরেছে মাত্র ১৬ রানে। ম্যাচ শেষে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও খুব কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন, ‘এটা খুব কঠিন ম্যাচ ছিল। আমাদের তাড়াতাড়ি উইকেটের

সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়েছিল। স্কটল্যান্ড যেভাবে বল মাঠের বাইরে পাঠাচ্ছিল, এই ম্যাচে আমাদের ভালো পরীক্ষা হয়েছে। ম্যাচটি থেকে আমাদের শেখার আছে।’ মার্টিন গাপটিলের দুর্দান্ত ইনিংসটার কারণেই স্কটিশরা শেষ পর্যন্ত পেরে ওঠেনি। এরপর কিউই অধিনায়ক তাঁর এই ওপেনারের স্তুতি করেছেন, ‘গাপটিল অনেক শক্তিশালী খেলোয়াড়, তার আজ ব্যাটে-বলে হচ্ছিল খুব দারুণ। এ রকম একটি ইনিংস আমাদের দরকার ছিল। গ্লেন ফিলিপসও তাকে ভালো সঙ্গ দিয়েছে। এই জুটিটাই একটা ভালো স্কোরের ওপর দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল আমাদের।’ শুরুতে ব্যাটিং করে নিউজিল্যান্ড ৫২ রানে হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট, তার মধ্যে কেন উইলিয়ামসও ফিরে গেছেন রানের খাতা না খুলে। তখন মার্টিন গাপটিলই বড় ভরসা। ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে

চতুর্থ উইকেট জুটিতে এই ওপেনার খেলে যাচ্ছেন তাঁর মতো চার-ছক্কা মেরে। তাতে তরতর করে ঘুরেছে রানের চাকা এবং একটুর জন্যও শ্লথ হয়নি তাঁর ব্যাটিং। ১৮.২ ওভারে দলকে ১৫৭ রানে নিয়ে গিয়ে আউট হন ফিলিপস (৩৩)। উইলের ঠিক পরের বলেই থামে গাপটিলের তাণ্ডব, সাতটি ছক্কা ও ছয়টি চারে তিনি ৫৬ বলে করেছেন ৯৩ রান। ১৭৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্কটল্যান্ড শুরু থেকেই ছিল মারমুখী। কোনো কিউই বোলারকে তারা থিতু হতে দেয়নি। সব সময় রানরেট রেখেছে সাতের ওপরে। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে মাইকেল লেস্কের ব্যাট হয়ে ওঠে তরবারি। ক্রিস গ্রিভসকে সঙ্গে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়লেও মোট সংগ্রহ ১৫৬ রানের বেশি হয়নি। তিনটি

করে চার-ছক্কায় ২০ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত লেস্ক। ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করা ইশ সোদির ওপর এদিন চড়াও হয়েছিল স্কটল্যান্ড, ৪২ রান দিয়ে নিয়েছেন দুই উইকেট।

দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ট্যাগ:

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: